যমুনা ব্যাংকের ঋণমান ‘‌ডাবল এ ওয়ান’

যমুনা ব্যাংক পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি ওয়ান’।

যমুনা ব্যাংক পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌ডাবল এ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) যমুনা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৮৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৪৮ পয়সায়।

সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে ব্যাংকটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৪ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৬৮ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬১ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা (পুর্নমূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬৭ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে ব্যাংকটি ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৩৯ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ১২৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৩০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৪৩ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক ২৭, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও